NATIONAL CHARITY FOUNDATION

NATIONAL CHARITY FOUNDATION
গঠন তন্ত্র ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন
১।ধারাঃNational charity foundation
★সংগঠনের নাম ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। ইংরাজিতে NATIONAL CHARITY FOUNDATION
গঠন তন্ত্র ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন
১।ধারাঃNational charity foundation
★সংগঠনের নাম ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। ইংরাজিতে NATIONAL CHARITY FOUNDATION
★সংগঠনের প্রতিক বড় হাতের N.C.F
★সংগঠনের প্রতিষ্টাকাল ০১-০১-২০১৯ইং।
★প্রধান কার্যালয় আপাতত জোতনানী
ইউনিয়নের একইর বাজারে সুবিধাজনক জায়গার ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
১। সংগঠনের নাম।ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ।
২। আমাদের
উদ্দেশ্য সমাজের ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো
খুঁজে বের করা ও এর সমাধান করা।
৩। লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ
★ সংগঠনের সদস্য/সদস্যদের মধ্যে একতা গড়ে তোলা।
★ সামাজিক কল্যাণ সাধন।
★সমাজের সমস্যাবলী সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা ও তার সমাধান করার জন্য সংগঠনের কর্মীদের উদ্বুদ্ব করবে।
★এটি আলাভজনক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন।
★ স্কুল ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
★দরিদ্র দুস্থ্য অনাথ অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।
★সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা৷
★সুস্থ রাধার সংস্কৃতির বিকাশ
★দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন ।
★গরীব ও মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান৷
★মাদরাসাও স্কুল প্রতিষ্ঠান নির্মাণ৷
★ রক্তদান কর্মসুচি পালন।
★বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র্যালী করা।
★বিভিন্ন কর্মের সফল মানুষের
সম্বর্ধনা প্রদান ।
★বন্যায় কর্মসূচি ।
★কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ৷
★জাতি -ধর্ম -বর্ন নির্বেশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক , অসাম্প্রদায়িক,অবাণিজ্যিক, দাতব্য, স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যানণ সংস্থা ।
ভবিষ্যৎ কার্যক্রম
১। গণ শিক্ষা।
২। কম্পিউটার প্রশিান।
৩। মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি ।
৪। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্ম শালা ।
৪। পরিচালনা পরিষদ : => উপদেষ্টা পরিষদ।
=> নির্বাহী পরিষদ।
=> সদস্য।
→উপদেষ্টা পরিষদ : উপদেষ্টা পরিষদ মূল্যবান পরামর্শ মাধ্যমে সংঘঠন তার কার্যপরিধি বিস্তৃত করবে।
→নিবার্হী পরিষদের গঠন প্রকৃতি ১।সভাপতি : ১জন। ২। সহসভাপতি ১ জন| ৩। সাধারন সম্পাদক :১জন। ৪।যুগ্ন সাধারন সম্পাদক :১জন। ৫|সহ সম্পাদক ১জন| ৬।সাংগাঠনিক সম্পাদক :৪জন| ৭।প্রচার সম্পাদক :৪জন।
৮৷সমাজ কল্যাণ সম্পদক ১জন
৯৷তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক ১ জন
→সদস্য: উপদেষ্টা ও নির্বাহী পরিষদের সদস্য বাদে সবাই সাধারণ সদস্য |
৫। নির্বাহী পরিষদের কাজঃ
*সাধারন সভা ও বার্ষিক সভা আহবান করা
*বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির আহ্বানে জরুরী সীদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কোন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদে জানানো।
*নির্বাহী পরিষদে সংগঠনের সাথে সংগতি রেখে গঠন তন্ত্রে বর্ণিত নেই এমন কোন ধরনের আর্থিক সাহায্য গ্রহন /প্রদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
*সংগঠনের উন্নয়ন এর জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
*বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করার জন্য সকল সদস্যকে উদ্বুদ্ধ করবে।
*সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত সাক্ষরে উপদেষ্টা পরিষদের সাক্ষরত্রুমে বাস্তবায়িত হবে।
*নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাধারন সদস্যদের নিয়ে মাসে অন্তত একটি সভা করা।
*উপদেষ্টা পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বছরে অন্তত ৬টি সভা করা |
৬। সদস্য পদ লাভঃ
*জন্মসূত্রে ইন্ডিয়ান এবং উৎসাহিত ও সংগঠনের সাথে সমমনা কর্মীগন এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে।
*যে কোন বয়সের মানুষ এর সদস্য হতে পারবে।
*সংগঠনের নির্ধারিত ফরম ও আইডি কার্ড বাবদ টাকা এককালিন দিতে হবে।
*এক বছর পর ৫০( ৫০ টাকা ) সাপেক্ষে সদস্য পদ নবায়ন করতে হবে।
*অবশ্যই তাকে আবেদন ফরম পুরন করতে হবে সংগঠনে ফরম জমা দেয়ার পর সদস্য পদ লাভ করবে।
৭।সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত বা বাতিলঃ
*যদি সেছায় পদত্যাগ করে।
*যদি মানসিক ভারসাম্য হারায়।
*যদি সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করেন।
*মৃত্যু হলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে।
*উপদেষ্টা পরিষদ মনে করলে।
৮। উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্বঃ
* সংগঠনেরপ্রধান বলে বিবেচিত হবে।
* উপদেষ্টা পরিষদ এ সংগঠনের যাবতীয় কার্যাবলী চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ও নীতিনির্ধারক বলে বিবেচিত হবে।
৯। সভাপতি দায়িত্বঃ
* সংগঠনের সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।
* সংগঠনের সার্থে ও কল্যাণে যেকোন প্রকার দ্বায়িত্ব পালন করবেন।
*বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি সভা আহব্বান করবেন।
*সভা পরিচালনা দ্বায়িত্ব থাকবেন
১০। সহ সভাপতি দায়িত্বঃ
* সভাপতির সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।
* সভাপতির অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
* নিবার্হী পরিষদের প্রদত্ত ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১১। সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ
*আফিস নির্বাহী হবেন ও থাকবেন।
*সকল প্রকার যোগাযোগ চিঠিলেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি সাক্ষর প্রদান করবেন।
* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১২। যুগ্ন সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ
* সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করবেন।
* সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩। সাংগাঠনিক সম্পাদকের কাজঃ
* সাংগাঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
* সাংগাঠনে কনো স্থীরতা প্রকাশ পেলে কারন ও দূরীকরণের জন্য সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের সাথে আলচনা পূর্বক করনীয়
১৪।প্রচার সম্পাদকের কাজঃ
* সাংগাঠনের স্বার্থে প্রচার প্রকাশনা তার দ্বায়িত্বে থাকবে।
* সাংগাঠনের বাহ্যিক প্রচার বেশী গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
*প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনার ব্যাবস্থা করবেন।
১৫। অন্যান্যঃ
* সাংগাঠনের সকল আপদে-বিপদে সাংগাঠনের নির্বাহী পরিষদের সবাই পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। * নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার অঙ্গিকারবদ্ধ হতে হবে।
* সাংগাঠনের আর্থিক হিসাব থাকবে হিসেব মেনের কাছে
*অর্থ থাকবে কেসিয়ারের কাছে।
*রক্তের সন্ধান দেওয়া।
*নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
*অন্যায়ভাবে কার সম্পদ ভোগ করা যাবে না।
১৬। সাংগঠনের জন্য আইন পালনীয়ঃ
* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদর অপরিবর্তনীয়।
* নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
* সাংগঠনের আয়ের উৎস বাৎসরিক চাঁদা ইত্যাদি।
*অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু লেখা থাকুক না কেন উক্ত সংগঠনটি ১৯৬১সনের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় এবং দেশের প্রচলিত আইন এর উপর আস্থা রাখে।
* নির্বাহী পরিষদ ২(দুই)বছর পর পুনঃগঠিত হবে।
* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ কখনো কোন কাজের জন্য কারও কাছে জবাবদিহিতা করবেনা।
* উপদেষ্টা পরিষদ সাংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
* সাংগঠনের সকল শাখা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদের কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হবে
* সাংগঠনের সকল শাখা সাংগঠনের কাছে দয়াবদ্ধ থাকিবে
১৮৷ জ্ঞানের কথা-জ্ঞানীর কথাঃ
*বব্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই প্রবল হয় ততই প্রয়োজন পড়ে।
*পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়। বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার।
*তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ তর্কে না জড়ানো।
*তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র।
*ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন শরীরকে আরামে রেখে জ্ঞানার্জন করা সম্ভব নয়।
*একতা দেখেিছে আমি কাকের ভিতরে যারা একজন বিপদে পড়লে ১০০জন উপস্থিত হয়।
প্রতিষ্টাতাঃ সাহেব শা।
সেক জাহাঙ্গির আহামেদ|
সেক সোদরুল ইসলাম
💐লিখেছেন💐
সকল মেম্বার
SHARE THIS:
★প্রধান কার্যালয় আপাতত জোতনানী
ইউনিয়নের একইর বাজারে সুবিধাজনক জায়গার ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
১। সংগঠনের নাম।ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ।
১। সংগঠনের নাম।ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ।
২। আমাদের
উদ্দেশ্য সমাজের ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো
খুঁজে বের করা ও এর সমাধান করা।
৩। লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ
★ সংগঠনের সদস্য/সদস্যদের মধ্যে একতা গড়ে তোলা।
★ সামাজিক কল্যাণ সাধন।
★সমাজের সমস্যাবলী সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা ও তার সমাধান করার জন্য সংগঠনের কর্মীদের উদ্বুদ্ব করবে।
★এটি আলাভজনক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন।
★ স্কুল ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
★দরিদ্র দুস্থ্য অনাথ অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।
★সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা৷
★সুস্থ রাধার সংস্কৃতির বিকাশ
★দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন ।
★গরীব ও মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান৷
★মাদরাসাও স্কুল প্রতিষ্ঠান নির্মাণ৷
★ রক্তদান কর্মসুচি পালন।
★বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র্যালী করা।
★বিভিন্ন কর্মের সফল মানুষের
সম্বর্ধনা প্রদান ।
★বন্যায় কর্মসূচি ।
★কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ৷
★জাতি -ধর্ম -বর্ন নির্বেশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক , অসাম্প্রদায়িক,অবাণিজ্যিক, দাতব্য, স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যানণ সংস্থা ।
ভবিষ্যৎ কার্যক্রম
১। গণ শিক্ষা।
২। কম্পিউটার প্রশিান।
৩। মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি ।
৪। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্ম শালা ।
★দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন ।
★গরীব ও মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান৷
★মাদরাসাও স্কুল প্রতিষ্ঠান নির্মাণ৷
★ রক্তদান কর্মসুচি পালন।
★বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র্যালী করা।
★বিভিন্ন কর্মের সফল মানুষের
সম্বর্ধনা প্রদান ।
★বন্যায় কর্মসূচি ।
★কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ৷
★জাতি -ধর্ম -বর্ন নির্বেশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক , অসাম্প্রদায়িক,অবাণিজ্যিক, দাতব্য, স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যানণ সংস্থা ।
ভবিষ্যৎ কার্যক্রম
১। গণ শিক্ষা।
২। কম্পিউটার প্রশিান।
৩। মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি ।
৪। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্ম শালা ।
৪। পরিচালনা পরিষদ : => উপদেষ্টা পরিষদ।
=> নির্বাহী পরিষদ।
=> সদস্য।
→উপদেষ্টা পরিষদ : উপদেষ্টা পরিষদ মূল্যবান পরামর্শ মাধ্যমে সংঘঠন তার কার্যপরিধি বিস্তৃত করবে।
→নিবার্হী পরিষদের গঠন প্রকৃতি ১।সভাপতি : ১জন। ২। সহসভাপতি ১ জন| ৩। সাধারন সম্পাদক :১জন। ৪।যুগ্ন সাধারন সম্পাদক :১জন। ৫|সহ সম্পাদক ১জন| ৬।সাংগাঠনিক সম্পাদক :৪জন| ৭।প্রচার সম্পাদক :৪জন।
৮৷সমাজ কল্যাণ সম্পদক ১জন
৯৷তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক ১ জন
৯৷তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক ১ জন
→সদস্য: উপদেষ্টা ও নির্বাহী পরিষদের সদস্য বাদে সবাই সাধারণ সদস্য |
৫। নির্বাহী পরিষদের কাজঃ
৫। নির্বাহী পরিষদের কাজঃ
*সাধারন সভা ও বার্ষিক সভা আহবান করা
*বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির আহ্বানে জরুরী সীদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কোন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদে জানানো।
*বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির আহ্বানে জরুরী সীদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কোন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদে জানানো।
*নির্বাহী পরিষদে সংগঠনের সাথে সংগতি রেখে গঠন তন্ত্রে বর্ণিত নেই এমন কোন ধরনের আর্থিক সাহায্য গ্রহন /প্রদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
*সংগঠনের উন্নয়ন এর জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
*বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করার জন্য সকল সদস্যকে উদ্বুদ্ধ করবে।
*সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত সাক্ষরে উপদেষ্টা পরিষদের সাক্ষরত্রুমে বাস্তবায়িত হবে।
*নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাধারন সদস্যদের নিয়ে মাসে অন্তত একটি সভা করা।
*উপদেষ্টা পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বছরে অন্তত ৬টি সভা করা |
৬। সদস্য পদ লাভঃ
*জন্মসূত্রে ইন্ডিয়ান এবং উৎসাহিত ও সংগঠনের সাথে সমমনা কর্মীগন এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে।
*যে কোন বয়সের মানুষ এর সদস্য হতে পারবে।
*সংগঠনের নির্ধারিত ফরম ও আইডি কার্ড বাবদ টাকা এককালিন দিতে হবে।
*এক বছর পর ৫০( ৫০ টাকা ) সাপেক্ষে সদস্য পদ নবায়ন করতে হবে।
*অবশ্যই তাকে আবেদন ফরম পুরন করতে হবে সংগঠনে ফরম জমা দেয়ার পর সদস্য পদ লাভ করবে।
৭।সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত বা বাতিলঃ
*যদি সেছায় পদত্যাগ করে।
*যদি মানসিক ভারসাম্য হারায়।
*যদি সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করেন।
*মৃত্যু হলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে।
*উপদেষ্টা পরিষদ মনে করলে।
৮। উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্বঃ
* সংগঠনেরপ্রধান বলে বিবেচিত হবে।
* উপদেষ্টা পরিষদ এ সংগঠনের যাবতীয় কার্যাবলী চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ও নীতিনির্ধারক বলে বিবেচিত হবে।
৯। সভাপতি দায়িত্বঃ
* সংগঠনের সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।
* সংগঠনের সার্থে ও কল্যাণে যেকোন প্রকার দ্বায়িত্ব পালন করবেন।
*বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি সভা আহব্বান করবেন।
*সভা পরিচালনা দ্বায়িত্ব থাকবেন
১০। সহ সভাপতি দায়িত্বঃ
* সভাপতির সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।
* সভাপতির অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
* নিবার্হী পরিষদের প্রদত্ত ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১১। সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ
*আফিস নির্বাহী হবেন ও থাকবেন।
*সকল প্রকার যোগাযোগ চিঠিলেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি সাক্ষর প্রদান করবেন।
* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১২। যুগ্ন সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ
* সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করবেন।
* সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩। সাংগাঠনিক সম্পাদকের কাজঃ
* সাংগাঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
* সাংগাঠনে কনো স্থীরতা প্রকাশ পেলে কারন ও দূরীকরণের জন্য সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের সাথে আলচনা পূর্বক করনীয়
১৪।প্রচার সম্পাদকের কাজঃ
* সাংগাঠনের স্বার্থে প্রচার প্রকাশনা তার দ্বায়িত্বে থাকবে।
* সাংগাঠনের বাহ্যিক প্রচার বেশী গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
*প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনার ব্যাবস্থা করবেন।
১৫। অন্যান্যঃ
* সাংগাঠনের সকল আপদে-বিপদে সাংগাঠনের নির্বাহী পরিষদের সবাই পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। * নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার অঙ্গিকারবদ্ধ হতে হবে।
* সাংগাঠনের আর্থিক হিসাব থাকবে হিসেব মেনের কাছে
*অর্থ থাকবে কেসিয়ারের কাছে।
*রক্তের সন্ধান দেওয়া।
*নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
*অন্যায়ভাবে কার সম্পদ ভোগ করা যাবে না।
১৬। সাংগঠনের জন্য আইন পালনীয়ঃ
* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদর অপরিবর্তনীয়।
* নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
* সাংগঠনের আয়ের উৎস বাৎসরিক চাঁদা ইত্যাদি।
*অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু লেখা থাকুক না কেন উক্ত সংগঠনটি ১৯৬১সনের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় এবং দেশের প্রচলিত আইন এর উপর আস্থা রাখে।
* নির্বাহী পরিষদ ২(দুই)বছর পর পুনঃগঠিত হবে।
* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ কখনো কোন কাজের জন্য কারও কাছে জবাবদিহিতা করবেনা।
* উপদেষ্টা পরিষদ সাংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
* সাংগঠনের সকল শাখা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদের কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হবে
* সাংগঠনের সকল শাখা সাংগঠনের কাছে দয়াবদ্ধ থাকিবে
১৮৷ জ্ঞানের কথা-জ্ঞানীর কথাঃ
*বব্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই প্রবল হয় ততই প্রয়োজন পড়ে।
*পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়। বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার।
*তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ তর্কে না জড়ানো।
*তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র।
*ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন শরীরকে আরামে রেখে জ্ঞানার্জন করা সম্ভব নয়।
*একতা দেখেিছে আমি কাকের ভিতরে যারা একজন বিপদে পড়লে ১০০জন উপস্থিত হয়।
প্রতিষ্টাতাঃ সাহেব শা।
সেক জাহাঙ্গির আহামেদ|
সেক সোদরুল ইসলাম
💐লিখেছেন💐
সকল মেম্বার
SHARE THIS:
Comments
Post a Comment