Skip to main content

NATIONAL CHARITY FOUNDATION



















গঠন তন্ত্র ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন

১।ধারাঃNational charity foundation

সংগঠনের নাম ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। ইংরাজিতে NATIONAL CHARITY FOUNDATION

সংগঠনের প্রতিক বড় হাতের N.C.F

সংগঠনের প্রতিষ্টাকাল ০১-০১-২০১৯ইং।

প্রধান কার্যালয় আপাতত জোতনানী

       ইউনিয়নের একইর বাজারে সুবিধাজনক জায়গার ভিত্তিতে সংগঠনের কার্যক্রম                 পরিচালিত হবে।           
                ১। সংগঠনের নাম।ন্যাশনাল চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ।

২। আমাদের
উদ্দেশ্য সমাজের ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো
খুঁজে বের করা ও এর সমাধান করা।

৩। লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ
সংগঠনের সদস্য/সদস্যদের মধ্যে একতা গড়ে তোলা।

সামাজিক কল্যাণ সাধন।

সমাজের সমস্যাবলী সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা ও তার সমাধান করার জন্য সংগঠনের কর্মীদের উদ্বুদ্ব করবে।

এটি আলাভজনক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন।

স্কুল ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

দরিদ্র দুস্থ্য অনাথ অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
সুস্থ রাধার সংস্কৃতির বিকাশ 

দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন ।                            

গরীব ও মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান৷

মাদরাসাও স্কুল প্রতিষ্ঠান নির্মাণ৷

রক্তদান কর্মসুচি পালন। 


বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র‌্যালী করা।


বিভিন্ন কর্মের সফল মানুষের 
সম্বর্ধনা প্রদান ।

বন্যায় কর্মসূচি । 


কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ৷


জাতি -ধর্ম -বর্ন নির্বেশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক , অসাম্প্রদায়িক,অবাণিজ্যিক, দাতব্য, স্বেচ্ছাসেবী  সমাজ কল্যানণ সংস্থা  ।


ভবিষ্যৎ কার্যক্রম
১। গণ শিক্ষা।
২। কম্পিউটার প্রশিান।
৩। মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি ।
৪। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্ম শালা ।


৪। পরিচালনা পরিষদ : => উপদেষ্টা পরিষদ।
=> নির্বাহী পরিষদ।
=> সদস্য।

উপদেষ্টা পরিষদ : উপদেষ্টা পরিষদ মূল্যবান পরামর্শ মাধ্যমে সংঘঠন তার কার্যপরিধি বিস্তৃত করবে।

নিবার্হী পরিষদের গঠন প্রকৃতি                      ১।সভাপতি : ১জন।   ২। সহসভাপতি ১ জন|                  ৩। সাধারন সম্পাদক :১জন।          ৪।যুগ্ন সাধারন সম্পাদক :১জন।    ৫|সহ সম্পাদক ১জন|                      ৬।সাংগাঠনিক সম্পাদক :৪জন|   ৭।প্রচার সম্পাদক :৪জন।
৮৷সমাজ কল্যাণ সম্পদক     ১জন 
৯৷তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক     ১ জন

সদস্য: উপদেষ্টা ও নির্বাহী পরিষদের সদস্য বাদে সবাই সাধারণ সদস্য |                                              

  ৫। নির্বাহী পরিষদের কাজঃ

  *সাধারন সভা ও বার্ষিক সভা আহবান করা   

*বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির আহ্বানে জরুরী সীদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কোন সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদে জানানো।

*নির্বাহী পরিষদে সংগঠনের সাথে সংগতি রেখে গঠন তন্ত্রে বর্ণিত নেই এমন কোন ধরনের আর্থিক সাহায্য গ্রহন /প্রদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

*সংগঠনের উন্নয়ন এর জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করবে।

*বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করার জন্য সকল সদস্যকে উদ্বুদ্ধ করবে।

*সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত সাক্ষরে উপদেষ্টা পরিষদের সাক্ষরত্রুমে বাস্তবায়িত হবে।

*নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাধারন সদস্যদের নিয়ে মাসে অন্তত একটি সভা করা।

*উপদেষ্টা পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বছরে অন্তত ৬টি সভা করা |

৬। সদস্য পদ লাভঃ

*জন্মসূত্রে ইন্ডিয়ান এবং উৎসাহিত ও সংগঠনের সাথে সমমনা কর্মীগন এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে।

*যে কোন বয়সের মানুষ এর সদস্য হতে পারবে।

*সংগঠনের নির্ধারিত ফরম ও আইডি কার্ড বাবদ টাকা এককালিন দিতে হবে।

*এক বছর পর ৫০( ৫০ টাকা ) সাপেক্ষে সদস্য পদ নবায়ন করতে হবে।

*অবশ্যই তাকে আবেদন ফরম পুরন করতে হবে সংগঠনে ফরম জমা দেয়ার পর সদস্য পদ লাভ করবে।

৭।সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত বা বাতিলঃ

*যদি সেছায় পদত্যাগ করে।

*যদি মানসিক ভারসাম্য হারায়।

*যদি সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করেন।

*মৃত্যু হলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে।

*উপদেষ্টা পরিষদ মনে করলে।

৮। উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্বঃ

* সংগঠনেরপ্রধান বলে বিবেচিত হবে।

* উপদেষ্টা পরিষদ এ সংগঠনের যাবতীয় কার্যাবলী চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ও নীতিনির্ধারক বলে বিবেচিত হবে।

৯। সভাপতি দায়িত্বঃ

* সংগঠনের সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।

* সংগঠনের সার্থে ও কল্যাণে যেকোন প্রকার দ্বায়িত্ব পালন করবেন।

*বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি সভা আহব্বান করবেন।

*সভা পরিচালনা দ্বায়িত্ব থাকবেন

১০। সহ সভাপতি দায়িত্বঃ

* সভাপতির সকল কাজে সহযোগীতা করবেন।

* সভাপতির অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।

* নিবার্হী পরিষদের প্রদত্ত ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।

১১। সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ

*আফিস নির্বাহী হবেন ও থাকবেন।

*সকল প্রকার যোগাযোগ চিঠিলেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি সাক্ষর প্রদান করবেন।

* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।

১২। যুগ্ন সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বঃ

* সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করবেন।

* সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।

* নির্বাহী পরিষদের প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।

১৩। সাংগাঠনিক সম্পাদকের কাজঃ

* সাংগাঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

* সাংগাঠনে কনো স্থীরতা প্রকাশ পেলে কারন ও দূরীকরণের জন্য সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের সাথে আলচনা পূর্বক করনীয়

১৪।প্রচার সম্পাদকের কাজঃ

* সাংগাঠনের স্বার্থে প্রচার প্রকাশনা তার দ্বায়িত্বে থাকবে।

* সাংগাঠনের বাহ্যিক প্রচার বেশী গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।

*প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনার ব্যাবস্থা করবেন।

১৫। অন্যান্যঃ

* সাংগাঠনের সকল আপদে-বিপদে সাংগাঠনের নির্বাহী পরিষদের সবাই পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। * নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার অঙ্গিকারবদ্ধ হতে হবে।

* সাংগাঠনের আর্থিক হিসাব থাকবে হিসেব মেনের কাছে

*অর্থ থাকবে কেসিয়ারের কাছে।

*রক্তের সন্ধান দেওয়া।

*নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন মেনে চলতে হবে।

*অন্যায়ভাবে কার সম্পদ ভোগ করা যাবে না।
১৬। সাংগঠনের জন্য আইন পালনীয়ঃ

* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদর অপরিবর্তনীয়।

* নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।

* সাংগঠনের আয়ের উৎস বাৎসরিক চাঁদা ইত্যাদি।

*অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু লেখা থাকুক না কেন উক্ত সংগঠনটি ১৯৬১সনের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় এবং দেশের প্রচলিত আইন এর উপর আস্থা রাখে।

* নির্বাহী পরিষদ ২(দুই)বছর পর পুনঃগঠিত হবে।

* সাংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ কখনো কোন কাজের জন্য কারও কাছে জবাবদিহিতা করবেনা।

* উপদেষ্টা পরিষদ সাংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

* সাংগঠনের সকল শাখা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদের কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হবে

* সাংগঠনের সকল শাখা সাংগঠনের কাছে দয়াবদ্ধ থাকিবে

১৮৷ জ্ঞানের কথা-জ্ঞানীর কথাঃ

*বব্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই প্রবল হয় ততই প্রয়োজন পড়ে।

*পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জার কথা নয়। বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার।

*তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং বুদ্ধিমানের কাজ তর্কে না জড়ানো।

*তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র।

*ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন শরীরকে আরামে রেখে জ্ঞানার্জন করা সম্ভব নয়।

*একতা দেখেিছে আমি কাকের ভিতরে যারা একজন বিপদে পড়লে ১০০জন উপস্থিত হয়।

প্রতিষ্টাতাঃ সাহেব শা।
সেক জাহাঙ্গির আহামেদ| 
 সেক সোদরুল ইসলাম

💐লিখেছেন💐

সকল মেম্বার







SHARE THIS:





























Comments

Popular posts from this blog

NATIONAL CHARITY FOUNDATION